Blog

যারা ভাবছিলেন আর কিছু নাই তো ইউটিউব আছে স্প্যাম করার জন্য তাদের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু ভাল ভাল খবর দিচ্ছি আজকে 😀

একেবারে রিসেন্টলি আপডেট গুলো লিখে দিচ্ছি আর এই মাসে আরও কিছু আপডেট আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে 😉

এই ফ্যাক্টগুলো আমার এবং আরও কয়েকজন ইউটিউবারদের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা হয়েছে। 
 
আপনার কাছে কোনও কিছু ভুল মনে হলে বা অ্যাড করার দরকার 
মনে হলে কমেন্ট করবেন।
 
বর্তমান ইউটিউবের নতুন আপডেটে ফ্যাক্টসমূহঃ 

১. ওভার অপ্টিমাইজড টাইটেল দেয়া যাবেনা। ইরিলিভেন্ট থাম্বনেল দেয়া যাবেনা। ফ্লাগড হবে ভিডিও।

২. স্প্যামি ডেস্ক্রিপশন দেয়া যাবেনা। ডেস্ক্রিপশনের শেষের দিকে দুনিয়ার সব রিলেভেন্ট/ইরিলিভেন্ট কিওয়ার্ড কপি পেস্ট করা যাবেনা। চ্যানেলে স্ট্রাইক পড়বে।

৩. ফালতু ট্যাগ দেয়া যাবেনা। একেবারে এক্স্যাক্ট ট্যাগ গুলো ইউজ করতে হবে।

৪. কোনওভাবেই ফেইক বা বোট ভিউ দিয়ে কাজ হবেনা। ইউটিউব এই ফেইক ভিউ গুলা রিফাইন করছে। প্রথম দিকে ভিডিও কাউন্ট করে শো করলেও ২৪ ঘন্টা পর দেখবেন ফেক ভিউ গুলো গায়েব !

৫. এখন থেকে আর বাংলাদেশে বসে ইউটিউব চ্যানেলে মনিটাইজেশন অন করা যাবেনা। চ্যানেল থেকে কান্ট্রি সেলেক্ট করার অপশন তুলে দেয়া হইসে।

৬. উল্টাপাল্টা জায়গায় যত্রতত্রভাবে ভিডিও শেয়ার করা যাবেনা। শেয়ার করার সময় যেন ভাল একটা ক্যাপশন সাথে থাকে।

৭. একসাথে বেশ কিছু ফ্ল্যাগ বা রিপোর্ট পড়লেই ভিডিও ডিলিট হবে, যদি আপনি রিপোর্টের এগেইন্সটে প্রুফ না দেখাতে পারেন।

৮. অন্যের কপি করা ভিডিও একনলেজমেন্ট না করে বা ফেইক ভিডিও যেমন মুভি ডাউনলোড লিঙ্ক/মুভি ট্রেইলার বানিয়ে আপলোড করলে চ্যানেল স্ট্রাইক খাবে।

৯. এখন ইউটিউব ডুপ্লিকেট মিউজিক ট্র্যাকিং সিস্টেম বেশ উন্নত করেছে। অন্যের মিউজিক খুব ভালভাবে এডিট না করা থাকলে থার্ড পার্টি ম্যাচ করবে আগের চেয়ে দ্রুত সময়ে।

১০. ভিডিওর কমেন্টে কোনও স্প্যামি ওয়ার্ড থাকলেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কমেন্টটি অটোমেটিক আন্ডার মডারেশনে চলে যাবে। আর সেখানে ভিডিও মালিক নিজে দেখে কমেন্ট এপ্রুভ করবে।





র‍্যাঙ্কিং এর ব্যাপারে খেয়াল করবেনঃ

১. একেবারে ইউনিক আর ইনফরমেটিভ ভিডিও আপলোড করার চেষ্টা করবেন।

২. টাইটেলে কিওয়ার্ড ইউজ করবেন কিন্তু বেশি বড় করবেন না।

৩. যথাসম্ভব ইউনিক ডেস্ক্রিপশন দেয়ার চেষ্টা করবেন। ডেস্ক্রিপশনে কিওয়ার্ড দিবেন আর্টিকেলের ভেতরে। নিচের দিকে সিরিয়ালি কিওয়ার্ড দিবেন না,

৪. অবশ্যই এবং অবশ্যই এক্স্যাক্ট ট্যাগ ইউজ করবেন।

৫. ভুলেও ফেক ভিউ নিবেন না।

৬. ভিডিও অন্তত 480P HD রাখার চেষ্টা করবেন।

৭. সোশ্যাল শেয়ার করবেন আর সেই শেয়ার গুলাতে রিয়াল এঙ্গেজমেন্ট বাড়াবেন। এতে ভিডিও রিচ বাড়বে।

৮. ফেইক ভিডিও বা কপি করা ভিডিও কাজ হচ্ছেনা আপাতত। ইভেন আপনি যদি মুভির ছবি দিয়ে স্লাইডশো বানান আর সেটা টিজার বা ট্রেইলার হিসেবে পাবলিশ করেন তাও সাসপেন্ড খাবার সম্ভবনা প্রবল।

এই লেখাটি বাংলাদেশ ইউটিউব মার্কেটারস  গ্রুপের সবার প্রতি উৎসর্গকৃত

You may also like

2 Comments

  • mojahidul islam9 years ago

    ধন্যবাদ আপনার সুন্দর পোস্টের জন্য। আমাদের ওয়েবসাইট এ লিখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। MYandroidBD

    Reply
  • Tahsin Kamal8 years ago

    5 number information ta ki thik

    Reply

Leave a Comment