Blog

ভালোবাসা!
খুবই পরিচিত একটি শব্দ। সৃষ্টির শুরু থেকেই আমরা ভালোবাসা পেয়ে আসছি। প্রথমত সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে, তারপর মা-বাবা; ধীরে ধীরে আমাদের পৃথিবী বড় হতে থাকে আর ভালোবাসার মানুষের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। আমাদের জীবনকাল আবর্তনের মাঝে আমরা একেক সময় একেকজনের ভালোবাসা বুঝতে থাকি। পরিবার থেকে থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব,  মহল্লার লোকজন, অফিসের সহকর্মী, এর পর অনেকের জীবনে আসে বিশেষ ভালোবাসার মানুষ। যাকে আমরা প্রেমিকা আর চূড়ান্তপর্যায়ে বউ বলে জানি।
অনেকের মধ্যেই একটা ভ্রান্তি থাকে, আমরা অনেক সময় অনেকের ভালোবাসা নিয়ে আরেকজনের সাথে তুলনা করি। যেমন, মায়ের সাথে বাবার ভালোবাসার তুলনা, আপন ভাই-বোনের সাথে কাজিনদের তুলনা আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিজের বন্ধুদের ভালোবাসার সাথে প্রেমিকার ভালোবাসার তুলনা।
আমার এই ব্যাপারটা কোনভাবেই মাথায় আসে না। আমাদের জীবনে এইসব মানুষদের স্থান আলাদা আলাদা। কেউই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আর ভালোবাসা ব্যাপারটা মাপকাঠি দিয়ে মাপার কিছু না যে কেউ বলতে পারবে যে তার থেকে তার ভালোবাসা বেশি। আপন ভাইবোনদের প্রতি মানুষের যে টান সেটা কোনোভাবেই অন্য কাজিনদের সাথে মিলবে না। আবার বন্ধুর প্রতি যে টান সেটা প্রেমিকার সাথে মিলিয়ে কোন লাভ নেই। আর এটা মিলাতে গেলে আসলে দুই পক্ষের প্রতিই অবমাননা করা হয়।

এটা জদিও আমার সম্পূর্ণ নিজের মতামত। অনেকের মতের সাথেই সাংঘর্ষিক হতে পারে!

You may also like

4 Comments

  • Rimon9 years ago

    ভালবাসার হিসাবটা এখনো কেউ মেলাতে পারেনি। আমার মনে হয়না ভবিষ্যতেও কেউ পারবে। প্রেমিকার ভালবাসা কতটুকু বুঝতে পেরেছি জানিনা কিন্তু পরিবারের ভালবাসা আসলেই যে স্বর্গীয় এটা হয়ত আমরা সকলেই বুঝতে পেরেছি। আর এই ভালবাসাটাই আমার কাছে প্রকৃত ভালবাসার স্বাদ।

    Reply
  • Nirav Selfmade9 years ago

    ভালো লেগেছে আপনার কথাগুলো! সম্পর্কের মধ্যে এই ধরনের খিচুড়ি না পাকানোই ভালো 🙂

    Reply
  • Nirav Asif9 years ago

    যথার্থ বলেছেন, ভালবাসা আসলেই স্বর্গীয়!

    Reply
  • Nirav Asif9 years ago

    সম্পর্কের মধ্যে খিচুড়ি পাঁকালে নিজেরই খিচুড়ি পেকে যাবে 😛

    Reply

Leave a Comment